একজন সিনিয়র ডাক্তারকে পিটিয়ে মেরে ফেলা এবং অন্য একজন ডাক্তারকে মিথ্যে অভিযোগে জেলে ঢুকানোর প্রতিবাদে ঘোষণা দিয়ে বহু ডাক্তার অনলাইন চিকিৎসা বন্ধ করে দিচ্ছেন। স্পষ্ট করে বলছেন, পরিচিত ছাড়া আর কাউকে অযাচিত চিকিৎসা সহায়তা নয়!

আমার সবিনয় প্রশ্ন, এই স্ট্যান্ড আসলে কেন? মানে অনলাইন চিকিৎসা দেয়া বন্ধ করে দেয়ার মাধ্যমে প্রতিবাদটা কতটা ফলপ্রসু হবে?

আমাকে ভুল বুঝবেন না। দুইটা ঘটনাতেই আমি বিক্ষুব্ধ, হতবাক। দুইজন চিকিৎসকের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে ঘোষণা দিয়ে এমন স্ট্যান্ড নেয়াটা ভিক্টিমদের প্রতি অনেক বড় সাপোর্ট। আমি রেস্পেক্ট জানাই। বিনামূল্যে অনলাইন চিকিৎসা সেবা দেয়া বাধ্যতামূলক কিছু না, এটা কোনো ছাড়াই যে কেউ এমনিই বন্ধ করার অধিকার রাখেন।

আমার কনসার্নের জায়গা হলো, এসব ঘোষণার কারণে মনে হচ্ছে সব সমস্যাটা কেবল ডাক্তার বনাম আমজনতার। মানে আমরা জনতাকে মাগনা হেল্প করা বাদ দিলাম, ব্যস শোধ নেয়া হয়ে গেল।

আসলেই কি তাই?

হ্যাঁ, জনতার দায় তো অবশ্যই আছে। ডাক্তারকে হত্যা করেছে জনতারই একাংশ, ডাক্তারকে ফাঁসিয়েছে এই জনতাই। দুই ইস্যুতে জনতার মধ্যে নির্লিপ্ততা দেখা যাচ্ছে। হাতির প্রতি যে শোক দেখা গিয়েছিল, তার ছিঁটেফোঁটা দেখা যাচ্ছে না এখানে। এই ক্ষোভ থেকে জনতাকে শিক্ষা দেয়া জাস্টিফাইড।

আমার পয়েন্ট হলো, জনতাকে শিক্ষা দেয়াই একমাত্র সলিউশন না। ডাক্তারদের এমন দুরাবস্থার কারণ একমাত্র জনতা না।

একজন ডাক্তারকে পিটিয়ে মারা হলো, এখন পর্যন্ত প্রশাসনের ভূমিকা কী? একজন পুলিশ কন্সটেবলকে কেউ এভাবে মারার সাহস করতে পারত? ইউএনও'র পিএসকে কেউ এভাবে মারতে পারত? সেনাবাহিনীর কোনো সৈনিকের গায়ে হাত তোলার সাহস কেউ করত?

ধরুন এমন কোনো ঘটনা ঘটেই গেল। একজন পুলিশ কন্সেবলকে পিটিয়ে হত্যা করা হলো। আপনার কি মনে হয় বিচারের জন্য সারা বাংলাদেশের সব পুলিশকে স্ট্যাটাস দিতে হতো? আসামীকে গ্রেফতারের জন্য আমজনতার ফেসবুকীয় সাহায্যের দরকার পড়ত?

বিক্ষোভটি ডাক্তার বনাম জনগণ না হয়ে ডাক্তার বনাম সিস্টেম হওয়া উচিত ছিল 

কিছুই লাগত না। আসামী তো বটেই, আসামীর চৌদ্দ গোষ্ঠী চৌদ্দ শিকের ভেতরে চলে যেত চৌদ্দ ঘন্টার মধ্যে।

কারণ কী? কারণ বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা পুলিশ, প্রশাসন থেকে নিয়ে অনেককেই এই পাওয়ার দিয়েছে, সুযোগ দিয়েছে। বাংলাদেশ ডাক্তারের প্রতি এতটা কন্সার্নড না। এর দায় এককভাবে জনতার না। এর দায় সিস্টেমের।

ডাক্তার কি আজ থেকে পেটানো হচ্ছে? কবে ডাক্তারকে মারা হয়নি? ধরলাম সরকার ডাক্তারদের গায়ে মাখে না। তো ডাক্তার নেতারা কই? তাদের কাজ কী একচুয়েলি? ডাক্তারদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য তারা ফোর্স করতে পারে না?

বছরের পর বছর ধরে এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে, কারো মধ্যে কোনো বিকার নেই। একেকটা ঘটনা ঘটে, ফেসবুকে এসে কান্নাকাটি চলে। জনতাকে তুলোধুনা করা হয়। তারপর শেষ।

সম্মানিত ডাক্তার সোসাইটি, এটা সঠিক ওয়ে না। ধরে নিলাম ডাক্তারি সেবা গ্রহিতা বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষ অকৃতজ্ঞ। কিন্তু সবাই ডাক্তার পেটায় এমনটা নিশ্চয়ই নয়। কত পার্সেন্ট ডাক্তার পেটানোর মনোভাব রাখে বলেন তো? ১%, ২%, ৫%, ১০%?

আমি ধরে নিলাম অকৃতজ্ঞদের ফেভার করার দরকার নেই, সো গায়ে পড়ে মাগনা সেবা বন্ধ। ফাইন। কিন্তু আপনার এই স্টেপ নেয়াতে ডাক্তার নিগৃহের ঘটনা বন্ধ হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস হয়? ১৮ কোটি মানুষের দেশে ঠিক কোন লোকটা ৫% ডাক্তার পেটানো দলের লোক আপনি জানেন না। আপনার সেবা বন্ধের খবরে সে অনুতপ্ত হবে না, সে লজ্জিত হবে না, ভুল বুঝবে না। বরং এই ইস্যুটাকে তার নিজের ফেভারে নিয়ে আরো বেশি হিংস্র হয়ে যাবে।

নিরাপত্তাই যদি হয় লক্ষ্য, নিজের আত্মসম্মান যদি হয় উদ্দেশ্য, তবে অভিমান করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা বন্ধ করার মধ্যে নিজের প্রতিবাদ সীমাবদ্ধ রাখবেন না।

বরং কথা বলুন ডাক্তারদের সুরক্ষা আইন নিয়ে। কথা বলুন ডাক্তার নেতাদের নির্লিপ্ততা নিয়ে, বর্জন করুন তাদের। সিস্টেমের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন।

ডাক্তারদের সুরক্ষায় ডাক্তার নেতাদের নির্লিপ্ততা নিয়ে কথা শোনা যায় মাঝে মাঝে। ভাই, উনাদের নেতা বানায় কে? আপনারা বানান নাকি উগান্ডার ডাক্তাররা বানায়? তিন লাইনের পোস্টে ২৬ জন নেতাকে ট্যাগ দেয় কে? আপনারা নাকি সেনেগালের ডাক্তাররা? নিজের চেয়ে বেশি নেতার ছবি প্রোফাইলে ঝুলে কাদের? আপনাদের নাকি হন্ডুরাসের ডাক্তারদের?

নেতার মেরুদণ্ড শক্ত করতে বলেন, আপনি মেরুদণ্ড শক্ত করে কখনো নেতাকে কিছু বলতে পেরেছিলেন? কাদের তেলে তেলে উনারা এতটা নির্লিপ্ত থাকেন বলেন তো?

আমজনতা বেছে বেছে ডাক্তার পেটায়, তা না। তারা সুযোগ পেলে পুলিশ পেটাত, সুযোগ পেলে ইউএনও পেটাত, সুযোগ পেলে জজকেও মারত। সুযোগ পায় না, ভয় পায়। তাদের ব্যাকআপ আছে, পাওয়ার আছে। 

ডাক্তারদের ব্যাকআপ নেই কেন? এই তো গত বছরেই ডাক্তারের ওপর হামলার পর কলকাতার ডাক্তারদের আন্দোলনের মুখে ডাক্তার সুরক্ষা আইন হয়েছে। ডাক্তারদের প্রতিটা দাবি মানা হয়েছিল।

কীভাবে সম্ভব হয়েছিল এমনটা? আমি যদ্দুর জানি, কলকাতার ডাক্তারদের থেকে যতটা শুনেছি; তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে জনগণকে চিন্তা করেননি, অনলাইনে চিকিৎসা দেয়া বন্ধ করে বসে থাকেননি। তারা আঘাত করেছিলেন সিস্টেমে, তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে নিয়েছিলেন খোঁদ মমতা সরকারকেই। মমতা সরকার শুরুতে বহু হাম্বিতাম্বি করেছিল। কিন্তু যখন দুই শতাধিক সিনিয়র ডাক্তার জুনিয়রদের প্রতি সংহতি জানিয়ে গণইস্তফা দিলেন, সুড়সুড় করে লাইনে চলে আসলেন মমতা। অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হলো দাবি।

কোলকাতার ডাক্তাররা প্রতিবাদ করেছিলেন সিস্টেমের বিরুদ্ধে 

না ভাই, সরকারকে প্রতিপক্ষ বানাবার উস্কানি আমি দিচ্ছি না। এটা সম্ভব না, দরকারও নেই। আমি বলি আমাদের দেশে কোন ইস্যুতে কোন সিনিয়র ডাক্তার ইস্তফা দেয়া দূরে থাক, জুনিয়রদের জন্য ঘোষণা দিয়ে একবেলা চেম্বার বন্ধ করেছেন? কে কবে কমান্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে? জুনিয়ররা কোনো স্টেপ নিলে সেটাকে সাস্টেইন করতে দিয়েছেন উপরের কেউ?

আমরা দেখছি খুলনায় ডাক্তার হত্যার ঘটনায় আমাদের থানা-আদালত অলস হয়ে বসে আছে। অথচ এই থানা-আদালত পুরাই উল্টো আচরণ দেখালো সিলেটে। একটা মেয়ে ডাক্তারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলল...ব্যস এক বেলার মধ্যে ডাক্তারকে থানায় নিয়ে যাওয়া হলো। তারপর আদালত। আদালত পাঠিয়ে দিলেন জেলে।

বাহ! একজনের স্রেফ অভিযোগের প্রেক্ষিতে কীভাবে একজন অন সার্ভিস ডাক্তারকে জেলে ঢুকানো যায়, তাও এই করোনাকালীন সময়ে?

কোনো প্রমাণ নেই, কোনো ছবি নেই-ভিডিও অডিও নেই, নেই কোনো শারীরিক চিহ্নও। স্রেফ কারো মুখের কথায় কাউকে জেলে ঢুকিয়ে দেয়া যায়? আমাদের "বিজ্ঞ" আদালতের কানে কি কেউ বলেনি এই ডাক্তারকেই বিনা অপরাধে দু বছর আগে মাইকিং করে পেটাতে গিয়েছিল একই এলাকার মানুষ। ঐ সময়ে আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়ে এখন নতুন প্ল্যান করা হয়েছে এটা বুঝতে মোসাদ এজেন্ট হতে হয়?

আমি জানি না আমাদের দেশের আইনের অসারতাই কি এই যে কোনো নারীর অভিযোগ শুনেই কাউকে জেলে পাঠানো যায় কিনা। যদি এটাই আইনে থাকে, আইনের ফাঁক নিয়ে কথা বলুন। আপনার চেম্বারে চাইলেও সিসি ক্যামেরা লাগাতে পারবেন না। দুদিন পর কোনো তরুণী আপনাকে ফাঁসিয়ে দেবে না এর গ্যারান্টি কী?

আমরা প্রতিদিনই দেখি ক্ষমতার বলে চিহ্নিত-প্রমাণিত অপরাধীরা জামিন পেয়ে যায়। কোনো এক নেতাকে জামিন না দিয়ে জেলে পাঠানোর হুকুম দেয়া জজকেই পানিশমেন্ট বদলি করে বিকেলে জামিন দেয়ার ইতিহাস কদিন আগেই হয়েছে। এই করোনাকালীন সময়ে সার্ভিসে থাকা ডাক্তার কেন জামিন পাবেন না? অপরাধ প্রমাণ হওয়ার আগ পর্যন্ত উনাকে সার্ভিসে রাখাটাই কি মানবিক, সামাজিক ও সময়ের দাবি ছিল না?

জনতাকে প্রধান টার্গেট না করে এই জায়গাগুলোকে টার্গেট করে কথা বলুন। জনতাকে চিকিৎসা সহায়তা বন্ধ করা হচ্ছে ইথিকাল মুভমেন্ট। ইথিকাল মুভের মাধ্যমে আপনি নিজের অভিমান বা রাগ প্রকাশ করতে পারবেন। হয়তো এই রাগ-ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যমে চলমান ঘটনার অপরাধী একটা বড়ো শাস্তি পেয়েও যেতে পারে। কিন্তু একটু লজিক নিয়ে ভাবলে দেখবেন, এটা আপনার ফিউচারের সুরক্ষা দেবে না।

কেবল ডাক্তার না, যে কারোর ওপর এমন হামলাকারীরা নিঃসন্দেহে ক্রিমিনাল। ক্রাইম অফেন্স আপনি ইথিকাল মুভমেন্টের মাধ্যমে থামাতে পারবেন না। ৫% অমানুষের দল সুযোপ পেলেই আপনাকে আঘাত করবেই। একটা ঘটনার বিচার খুব বড় দৃষ্টান্ত হয় না। দেশের মানুষ খুব ভালো করেই জানে এমন হাইপ আসে, হাইপ চলে যায়। ক্রিমিনালকে এগুলো তেমন কোনো বার্তা দেবে না।

লং লাস্টিং ওয়েতে ভাবতে হবে। যে কোনোভাবেই হোক, সুরক্ষা আইন পাশ করানো ছাড়া কোনো গতি নাই। কঠিন সুরক্ষা আইন পাশ করিয়ে সেটাকে বিশাল বড় ব্যানারে হাসপাতাল-ক্লিনিক-চেম্বারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ডাক্তার নেতাদের ফ্রন্টে আনতে হবে। কঠোর কঠিন বিবৃতি আদায় করতে হবে তাদের থেকে, রাখতে হবে ফিল্ডে।

কোনো ডাক্তারের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া যৌন নিগৃহের অভিযোগ উঠামাত্র জেলে পাঠানো যাবে না। আর যদি তাই করতে হয়, রোগীর প্রাইভেসী কম্প্রোমাইজ করে সিসি ক্যাম লাগানোর অনুমতি নিয়ে রাখতে হবে। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে উনি অতীতে এলাকাবাসীর অন্যায় কোনো ক্ষোভের শিকার হয়েছিলেন কিনা এটা আদালতের নোটিশে আনতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের পর এটাই বোধহয় ডাক্তারদের জন্য সবচেয়ে খারাপ সময়। প্রায় অর্ধশত ডাক্তার শহীদ হয়েছেন করোনা যুদ্ধে। এই কঠিন সময়ে এমন ঘৃণ্য দুইটা ঘটনায় আত্মসমালোচনা অনেকেরই হজম হবে না জানি। আমি ছোটো মানুষ, ছোটো ব্রেইন। হয়তো ভুল বলতে পারি, তবে আমার মনে হয় ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এই সময়টাই সবচেয়ে ভালো সময়। সহকর্মীর মার খাওয়াতে কেউ সত্যিই আহত হয়ে থাকলে, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সত্যিকার অর্থে উদ্ববিগ্ন থাকলে যেটা নিয়ে কথা বললে রেজাল্ট আসবে সেটা নিয়ে বলুন।

জনতার প্রতি ক্ষোভ লজিক্যাল, জনতার প্রতি অসহযোগ পন্থা আরো লজিক্যাল...কিন্তু ইললজিক্যাল হচ্ছে এটা থেকে কোনো ইফেক্টিভ রেজাল্ট আশা করা। জনতাকে লক্ষ্য করে তিক্ষ্ণ ভাষায় লিখলে অনেক লাইক আসতে পারে, রাজনৈতিক-একাডেমিক বা চাকরি জীবনে সেইফও থাকবেন। তবে আল্টিমেট রেজাল্ট আসবে না।

সারা দিনে প্রচুর লেখা দেখলাম, অভিমানি-বিক্ষুব্ধ সব লেখা। প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সবই ঠিক আছে। এবার চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য যেটা করা উচিত সেটা করেন, যা বলা উচিত তাই বলেন। নিজেকে খুব বেশি সেইফ রেখে, নেতার প্রতি তেলের শিশু আগের মতো উপুড় করে রেখে, সিস্টেমকে পাশ কাটিয়ে ইনভিজিবল জনতাকেই আক্রমণ করার মধ্যে প্রতিবাদ সীমাবদ্ধ রাখা অনর্থক। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেটা ভণ্ডামিও বটে।

সার্ভিসে থাকা একজন ডাক্তারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। দোষীদেরকে কোনো প্রকার সিম্পেথী না দেখিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হোক। আমার আপন ভাই ভয়ানক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হবার পরে ডাঃ জুবায়ের ইমারজেন্সি সেবা দিয়েছিলেন। উনার প্রতি আমার পরিবার কৃতজ্ঞ। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে জেলে ঢুকিয়ে দেয়ার ঘটনায় আমি বিস্মিত-ক্ষুদ্ধ। অবিলম্বে উনার জামিন মঞ্জুর করা হোক।

ডাক্তার সুরক্ষা আইন চাই। যারা ডাক্তারদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ এমন নেতারা এখনই পদত্যাগ করুক। দুনিয়ার সকল নিপীড়নের ঘটনায় যারা শোক জানায় কিন্তু স্বদেশী একজন ডাক্তারের নির্মম হত্যাকাণ্ড যাদেরকে বিন্দুমাত্র আলোড়িত করে না, এমন মানুষদের প্রতি ঘেন্না জানাচ্ছি।


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা