এতো আতঙ্কের ভিড়ে স্বস্তি ছড়ানোর মতোই ঘটনা...

নোভেল করোনাভাইরাসের আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব। গতকাল বাংলাদেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন শনাক্ত হবার পর থেকে যেন নতুন করে আবার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে জনসাধারণের ভেতর। এরই মাঝে একটা আশাব্যঞ্জক খবর হচ্ছে গত শনিবার চীনের হুবেই প্রদেশে ১০০ বছর বয়সী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন।

এটাই হচ্ছে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত সবেচেয়ে বয়স্ক রোগীর সুস্থ হবার খবর। চীনের জিঞ্জুয়া সংবাদমাধ্যম এটা নিশ্চিত করেছে। আক্রান্ত ব্যক্তি ৮০ জনের গ্রুপে ছিলো, যারা হুবেই ম্যাটারনিটি এন্ড চাইল্ড কেয়ারে চিকিৎসাধীন ছিলো কিছুদিন ধরে। উল্লেখ্য, এই প্রদেশকে কেন্দ্র করেই এখন পর্যন্ত চীন থেকে বিশ্বে্র ৯০টা দেশে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।  ১৯২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে জন্মানো ঐ ব্যক্তির বয়স এ বছর ফেব্রুয়ারিতে একদম টায় টায় একশো ছুঁয়েছে।

উল্লেখ করবার মতো ব্যাপার হচ্ছে, এই বৃদ্ধ মানুষটা শুধু করোনাভাইরাসেই আক্রান্ত ছিলো না। হৃদরোগ, আলঝাইমারসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন সে ব্যক্তি। এমন জটিল মেডিকাল কন্ডিশন থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে আসাটা আসলেই আশাব্যঞ্জক।  

চীনে করোনাভাইরসের দৃশ্যপট 

জিঞ্জুয়া আরো জানিয়েছে, উক্ত ব্যক্তিকে মিলিটারি গ্রেডের ট্রিটঅমেন্ট দেয়া হয়েছে। তার ক্রিটিকাল মেডিকেল কন্ডিশনে বিভিন্ন কনসালটেন্টদের সাথে গবেষণা করে- এন্টিভাইরাল মেথড, চাইনিজ সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতিসহ কনভালিসেন্ট প্লাজমা চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নেয়া হয়েছে।

যেহেতু নোভেল করোনাভাইরাসটা মূলত বাতাস এবং এয়ার ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়  সেহেতু এটা সরাসরি আক্রমণ করে শ্বাসতন্ত্রে। যারা আগে থেকেই শ্বাসতন্ত্রের রোগে ভুগছেন তাদের জন্য বিপদ বেশি। যেকোনো ক্রনিক ডিজিজে আক্রান্ত হলেও ইমিউন সিস্টেম দূর্বল থাকে মানুষের শরীরে, এক্ষেত্রে ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই একজন সুস্থ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা করোনারোধে বেশি কার্যকর।  করোনাভাইরাস সম্পর্কে এখনো অনেক কিছু শেখার আছে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, সুস্থ-বিশ্রাম নেওয়া লোকেরা ভালোভাবে ভাইরাস প্রতিরোধে করতে পারে। 


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা