এ ঘটনায় অনেকে প্রিন্স হ্যারিকে অষ্টম এডওয়ার্ডের সাথে তুলনা করছেন। যিনি প্রেমের জন্য রাজসিংহাসন ত্যাগ করেছিলেন। এখন সময়ই বলে দেবে, প্রিন্স হ্যারি কি সে পথেই পা বাড়ান কিনা!

প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল তাদের সম্পর্কের শুরু থেকেই ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ব্রিটিশ মিডিয়ার পৈশাচিক ব্যবচ্ছেদে মানসিকভাবেও ভেঙ্গে পড়েছিলেন এই দম্পতি। এ ব্যাপারে মুখ খুলেছিলেন গত অক্টোবরে। ডিসেম্বরে এসে রাজপরিবার ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে রীতিমত হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন তারা।  ব্রিটিশ রাজপরিবারে সৃষ্টি হয়েছে নাটকীয় সংকট।  

রাজপরিবার ত্যাগের সিদ্ধান্তে নড়েচড়ে বসেছে ব্রিটিশ রাজপরিবার ও তাদের গণমাধ্যম। গুঞ্জন চলছিলো রাজপরিবারের সাথে সম্পর্ক ভালো নেই হ্যারি ও মেগানের। ইতিমধ্যেই লন্ডনের মাদাম তুসো যাদুঘর থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে হ্যারি দম্পতির মোমের মূর্তিগুলো।

প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল

এ ব্যাপারে একটা সুরাহা করতে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ রাজপরিবারের বৈঠক ডেকেছেন ১৩ই জনুয়ারি সান্ড্রিংহ্যাম রাজপ্রাসাদে। সেখানে হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লসসহ বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামও উপস্থিত থাকবেন। বলা হচ্ছে, কারো সঙ্গেই সম্পর্ক ভালো নেই প্রিন্স হ্যারির। হ্যারির স্ত্রী মেগান মার্কেল নাকি ইতিমধ্যে ইংল্যান্ড ছেড়েছেন।

শুধু রাজপরিবারই নয়, রাজকোষের অর্থও ছাড়তে চান হ্যারি ও মেগান দম্পতি। তারা নিজেদের মতো করে বাঁচতে চান। নিজেদের স্বকীয়তা বজায়ে রাখতে চান। সাধারন জনগনের সাথে মিশিতে চান। রাজপরিবারের প্রটোকলে এতোটাই অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছলেন যার জন্যে কারো সাথে আলোচনা না করেই পরিবার ছাড়ার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তারা।

এ ঘটনায় অনেকে প্রিন্স হ্যারিকে অষ্টম এডওয়ার্ডের সাথে তুলনা করছেন। যিনি প্রেমের জন্য রাজসিংহাসন ত্যাগ করেছিলেন। এখন দেখবার বিষয়, প্রিন্স হ্যারি কি সে পথেই পা বাড়ান কিনা। হ্যারি ও মার্কেলের প্রেমের উপাখ্যান হয়তো তৈরী করবে নতুন এক ইতিহাস। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রেখে যাবে ঐতিহাসিক রাজকীয় প্রেমের গল্প। সময়ই বলে দেবে সামনে কী হতে যাচ্ছে!  


ট্যাগঃ

শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা